৩০। সূরা আর রুম
২-৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেনঃ “রোমানরা পরাজিত হয়েছে, পৃথিবীর সবচাইতে নিচু জায়গায় এবং তারা পরাজয়ের পর বিজয়ী হবে এবং কিছু বছরের মধ্যেই। অগ্র পশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতেই, সেদিন মুমিনরা আনন্দিত হবে।”
এ বিষয় প্রমানিত হয়েছে যে, মৃত সাগর তীর, যেখানে রোমানরা পরাজিত হয়েছিল তা পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু জায়গা (Land): সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৪২০ মিটার নিচু!আয়াতগুলো নাযিল হয় ৬২০ সনে। তখন রোমানরা, ইরান বা পারস্য শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে নিজেরা এতটাই দূর্বল হয়ে পরেছিল যে নিজেদের অস্তিত্ব টিকবে কিনা এই নিয়ে সংশয়ে চলছিল। কুরইশরাও ঠাট্টা করেছিলো এই ভবিষ্যতবানী নিয়ে। ৭ বছর পর, ৬২৭ সনে রোমানরা অবিশ্বাস্যভাবে ইরানীদের পরাজিত করে। সত্যি প্রমাণিত হয় কোরআনের ভবিষ্যতবাণী।
আল কুরআনের আলোকে ২ ধরনের বাতাসের পার্থক্যঃ বহুবচনের বাতাস ‘রিয়াহ’ এই বাতাস নিয়ামত হিসাবে আসে। হেলেদুলে প্রবাহিত হয়, কখনও এদিক থেকে কখনও ওদিক থেকে বিক্ষিপ্তাকারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বইতে থাকে; কেমন যেন সেখানে অনেকগুলো বাতাস থাকে । এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ ২:১৬৪, ৭:৫৭, ১৫:২২, ১৮:৪৫, ২৫:৪৮, ২৭:৬৩, ৩০:৪৬, ৩৫:০৯, ৪৫:০৫
অপরদিকে এক বচনের বাতাস ‘রীহ’। এই বাতাস আযাব হিসাবে আসে। বজ্রকঠিন ও একে অন্যের সাথে লাগোয়া। অনেক বেশি জমাটবাঁধা, ঘনীভূত ও সঙ্ঘত; কেমন যেন একটাই মাত্র তাবাস থাকে। এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ ৩:১১৭, ১৪:১৮, ১৭:৬৯, ২২:৩১, ৩০:৫১, ৩৩:৯, ৪২:৩৩, ৪৬:২৪ সাধারনভাবে একবচন ও বহুবচন নেকই ধরনের অর্থ প্রকাশ করলেও আল কুরআন এখানে বহুবচনে নিয়ামত ও একবচনে আযাব প্রকাশ করেছে।
৫৪ নং আয়াতে জীবনের সারসংক্ষেপ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন